১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| ৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৪ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি| রাত ২:২৮| বসন্তকাল|
শিরোনাম :
একুশে বইমেলায় আসছে সাংবাদিক মোস্তফা খানের উপন্যাস ‘একটি কলমের দাম’ ঢাকা–১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা উপকমিটি গঠন বিএনপির শরিক দলগুলো বড় ধরনের সংকটে বিজেপিতে ভাঙ্গনের সুর  কুমিল্লায় নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে বিশ্ব ডায়বেটিক দিবস পালিত হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান উপদেষ্টা ও শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি র রোগমুক্তি কামনায় বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি কর্মচারী ইউনিয়নের উদ্যোগে বিশেষ দোয়া মাহফিল সুনামগঞ্জের ছাতকে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন  কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ সম্মেলন এর প্রতিবাদে মানববন্ধন মুরাদনগরে অটোরিকশা চালক মেহেদী হাসান হত্যার খুনিদের ফাঁসী দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল  কাঠমা জনতা বাজারে মাদক ও চুরি প্রতিরোধে কল্পে মানববন্ধন

বিজেপিতে ভাঙ্গনের সুর 

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, নভেম্বর ২৪, ২০২৫,
  • 32 Time View

‘মোঃ তানভীর আজাদ’

দীর্ঘদিন বিএনপি’র সাথে যারা জোটবদ্ধ ছিল অধিকাংশ রাজনীতি দলের নেতৃবৃন্দ। মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন। যেকোনো সময় ভেঙ্গে যেতে পারে বিএনপি’র জোট বন্ধুদের অনেক রাজনৈতিক জোট এবং রাজনৈতিক দল। যোগাযোগ করা হলে বিএনপি জোট বন্ধুদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দল। বিজেপির মহাসচিব মতিন সাউথ বলেন, আমি চারদলীয় জোটের অন্যতম রূপকার। কিন্তু আমাদের দলকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। ২০০১ সালের নির্বাচনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১১ টি আসন আমাদের জন্য ছেড়ে দিয়েছিল। কিন্তু ২০০৮ সালের পরে দীর্ঘ ১৭ বছর লয় সংগ্রাম বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

২০০৮ সালের নির্বাচন এর পর আমাদের দলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ সংসদ এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। কিন্তু বর্তমান যে প্রেক্ষাপট দেখা দিচ্ছে তাতে পরিষ্কারভাবেই বুঝা যাচ্ছে আমাদের কে অমূল্যায়ন করা হচ্ছে। যা বিএনপির মত দলকে নেতিবাচক পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হতে পারে। তিনি বলেন কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে আমি নিজে নির্মমভাবে আহত হয়েছিলাম। আমি এলাকার জনগণ আমার নিজস্ব জনপ্রিয়তা দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছি। আমার আসন ঢাকা ৫ এই আসনের জনগণ মনে প্রানে আমাকে চায় যেন আমি সংসদ নির্বাচিত হয়ে তাদের প্রতিনিধিত্ব করে। আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পরে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। আমি বিরোদী দলের কাউন্সিলর ছিলাম। অনেক সময় নিজের অর্থায়নে এলাকাবাসীর উন্নয়ন করেছি। নিজের পৈত্রিক জমিজমা বিক্রি করেও রাজনীতি করেছি। আমাদের কি অমূল্যায়ন করা হলে দল জোটে ভাঙ্গা করা হবে। এতে তৃতীয় পক্ষ লাভ হবে। কিন্তু দিনশেষে আমরা জাতীয়তাবাদী ঐক্য ধরে রাখতে চাই। আমাদেরকে মূল্যায়ন করা বিএনপি’র নৈতিক দায়িত্ব। রাজনৈতিক মাঠে এবং আমার নির্বাচনী এলাকা ঢাকা ৫ আসনে আমার কোন বদনাম নেই। মতিন সাউথ বলেন আমাকে ঢাকা -৫ আসনে মনোয়ন দিলে বিপুল ভোট এ জয়লাভ করবো। এই ১২ দলীয় জোটে র শীর্ষ নেতৃত্ব মধ্যে ফাটল দেখা যাচ্ছে। জোট ভাঙ্গনের জন্য ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয় দফায় দফায় মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এদের মধ্যে প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল ইসলামিক পার্টি পারবেজের নেতৃত্বে কল্যাণ পার্টি একাংশ ন্যাশনাল লেবার পার্টি লাল ফারুক রয়েছেন। জানা যায় এই জোট এর অবস্থা ভেঙ্গে যা যায় অবস্থা। সমমনা জোট এর অবস্থা আরো শোচনীয় তাদের জন্য মাত্র ১ টা আসন ফাকা রাখা হয়েছে। বিজেপির মহাসচিব বলেন আমাকে গুম করতে গিয়ে আমার ভাই কে গুম করা হয়েছিল।জাতীয়তাবাদী আদর্শকে ধারণ করে আমি পিছপা হই নাই। আজকে বিজেপি কে শুধু অমূল্যায়নী নয় বরং রাজনৈতিক ভাবে হেও প্রতিপন্ন করা হচ্ছে। ওদিকে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবি পার্টি সহ অন্য অন্য রাজনৈতিক দল গুলোর সাথে ও বিএনপি’র দূরত্ব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যোগাযোগ করা হলে প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান ফিরোজ মোহাম্মদ লিটন বলেন আমরা খেয়ে না খেয়ে রাজপথে ছিলাম আনদোলনের সাথে ছিলাম। আমাদের অসংখ্য নেতা কর্ম রা জুলাই আনদোলনের সময় আহত হয়েছে। আমি নিজে আহত হয়েছি। বিগত বছর গুলোতে আমার দলের ২০০ এর উপর কর্মসূচী রয়েছে। যা তখন কার সময় অনেক রাজনৈতিক সমমনা দল গুলো করতে পারে নাই। আমার দল বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব দিকে তাকিয়ে আছে। জোট এর দায়িত্ব যারা আছে তারা আমাদের মূল্যয়ান করছে বলে মনে হয় না। জোট এর ভাংগ হলেও কিছু করার থাকবে না। ফিরোজ মোহাম্মদ লিটন ব’লেন তার দল জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব র সাথে সরাসরি যোগাযোগ করসে। জোট দল ভাংগা গড়ার মধ্যে কে হবেন জয়ী সেটাই দেখার বিষয়।

দীর্ঘদিন বিএনপি’র সাথে যারা জোটবদ্ধ ছিল অধিকাংশ রাজনীতি দলের নেতৃবৃন্দ। মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন। যেকোনো সময় ভেঙ্গে যেতে পারে বিএনপি’র জোট বন্ধুদের অনেক রাজনৈতিক জোট এবং রাজনৈতিক দল। যোগাযোগ করা হলে বিএনপি জোট বন্ধুদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দল। বিজেপির মহাসচিব মতিন সাউথ বলেন আমি চারদলীয় জোটের অন্যতম রূপকার। কিন্তু আমাদের দলকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। ২০০১ সালের নির্বাচনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১১ টি আসন আমাদের জন্য ছেড়ে দিয়েছিল। কিন্তু ২০০৮ সালের পরে দীর্ঘ ১৭ বছর লয় সংগ্রাম বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচন এর পর আমাদের দলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ সংসদ এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। কিন্তু বর্তমান যে প্রেক্ষাপট দেখা দিচ্ছে তাতে পরিষ্কারভাবেই বুঝা যাচ্ছে আমাদের কে অমূল্যায়ন করা হচ্ছে। যা বিএনপির মত দলকে নেতিবাচক পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হতে পারে। তিনি বলেন কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে আমি নিজে নির্মমভাবে আহত হয়েছিলাম। আমি এলাকার জনগণ আমার নিজস্ব জনপ্রিয়তা দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছি। আমার আসন ঢাকা ৫ এই আসনের জনগণ মনে প্রানে আমাকে চায় যেন আমি সংসদ নির্বাচিত হয়ে তাদের প্রতিনিধিত্ব করে। আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পরে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। আমি বিরোদী দলের কাউন্সিলর ছিলাম। অনেক সময় নিজের অর্থায়নে এলাকাবাসীর উন্নয়ন করেছি। নিজের পৈত্রিক জমিজমা বিক্রি করেও রাজনীতি করেছি। আমাদের কি অমূল্যায়ন করা হলে দল জোটে ভাঙ্গা করা হবে। এতে তৃতীয় পক্ষ লাভ হবে। কিন্তু দিনশেষে আমরা জাতীয়তাবাদী ঐক্য ধরে রাখতে চাই। আমাদেরকে মূল্যায়ন করা বিএনপি’র নৈতিক দায়িত্ব। রাজনৈতিক মাঠে এবং আমার নির্বাচনী এলাকা ঢাকা ৫ আসনে আমার কোন বদনাম নেই। মতিন সাউথ বলেন আমাকে ঢাকা -৫ আসনে মনোয়ন দিলে বিপুল ভোট এ জয়লাভ করবো। এই ১২ দলীয় জোটে র শীর্ষ নেতৃত্ব মধ্যে ফাটল দেখা যাচ্ছে। জোট ভাঙ্গনের জন্য ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয় দফায় দফায় মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এদের মধ্যে প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল ইসলামিক পার্টি পারবেজের নেতৃত্বে কল্যাণ পার্টি একাংশ ন্যাশনাল লেবার পার্টি লাল ফারুক রয়েছেন। জানা যায় এই জোট এর অবস্থা ভেঙ্গে যা যায় অবস্থা। সমমনা জোট এর অবস্থা আরো শোচনীয় তাদের জন্য মাত্র ১ টা আসন ফাকা রাখা হয়েছে। বিজেপির মহাসচিব বলেন আমাকে গুম করতে গিয়ে আমার ভাই কে গুম করা হয়েছিল।জাতীয়তাবাদী আদর্শকে ধারণ করে আমি পিছপা হই নাই। আজকে বিজেপি কে শুধু অমূল্যায়নী নয় বরং রাজনৈতিক ভাবে হেও প্রতিপন্ন করা হচ্ছে। ওদিকে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবি পার্টি সহ অন্য অন্য রাজনৈতিক দল গুলোর সাথে ও বিএনপি’র দূরত্ব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যোগাযোগ করা হলে প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান ফিরোজ মোহাম্মদ লিটন বলেন আমরা খেয়ে না খেয়ে রাজপথে ছিলাম আনদোলনের সাথে ছিলাম। আমাদের অসংখ্য নেতা কর্ম রা জুলাই আনদোলনের সময় আহত হয়েছে। আমি নিজে আহত হয়েছি। বিগত বছর গুলোতে আমার দলের ২০০ এর উপর কর্মসূচী রয়েছে। যা তখন কার সময় অনেক রাজনৈতিক সমমনা দল গুলো করতে পারে নাই। আমার দল বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব দিকে তাকিয়ে আছে। জোট এর দায়িত্ব যারা আছে তারা আমাদের মূল্যয়ান করছে বলে মনে হয় না। জোট এর ভাংগ হলেও কিছু করার থাকবে না। ফিরোজ মোহাম্মদ লিটন ব’লেন তার দল জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব র সাথে সরাসরি যোগাযোগ করসে। জোট দল ভাংগা গড়ার মধ্যে কে হবেন জয়ী সেটাই দেখার বিষয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category